করোনা থেকে বেঁচে উঠে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস

দিল্লিতে এবার নয়া আতঙ্ক। খবর পাওয়া যাচ্ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরবর্তী ব্ল্যাক ফাঙ্গাস, কালো ছত্রাক সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে সুস্থ হওয়ার পর অনেকে মারাত্মক এই ছত্রাকে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

কোভিড ভাইরাসের কারণে যখন রোগীর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তখন ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ইনফেকশনে আক্রান্ত হলে সেটি মূহুর্তের মধ্যেই মৃত্যু ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। রক্ত, চামড়া, মুখ, নখসহ শরীরের নানা জায়গায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ইনফেকশন হতে পারে এবং সাধারণত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এ ধরণের সমস্যাগুলোই করোনা-উত্তর সময়ে নতুন সংকট তৈরি করতে পারে, যেগুলোকে তারা পোস্ট কোভিড বা লং কোভিড সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসক লেলিন চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে জানান, “করোনার লক্ষ্মণ ও প্রভাবের কোনো শেষ নেই। মজা করে বলা হলেও এটি সত্যি যে প্রেগন্যান্সি আর ফ্রাকচার ছাড়া আর সবকিছুই করোনার লক্ষ্মণ হতে পারে। মানসিক রোগ থেকে শুরু করে হার্ট বা মস্তিষ্ক – কোন কিছুই এর বাইরে নয়। আবার পোস্ট-কোভিড সম্পর্কিত সমস্যাকে এখন লং কোভিড বা দীর্ঘমেয়াদী কোভিড বলা হচ্ছে। … অর্থাৎ করোনাভাইরাস সেরে গেলেও নতুন করে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফাঙ্গাস ইনফেকশন তারই একটি।“

[hfe_template id=’81’]

করোনাভাইরাসের আক্রান্ত এমন অনেকেই সেরে ওঠার পরও অন্যান্য নানা শারীরিক ও মানসিক জটিলতায় ভুগেছেন বলে জানা গেছে। কারও কারও ক্ষেত্রে তেমন কোন জটিলতা দেখা যায় না। আবার কারও কারও ওপর করোনাভাইরাস দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আর এইসব জটিলতা কাটিয়ে উঠতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

করোনা থেকে বেঁচে উঠে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to top
error: Content is protected!!
Share via
Copy link
Powered by Social Snap